১৭ বছর পর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আজ

১৭ বছর পর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আজ

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় তৈরি করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আজ দেশের মাটিতে পা রাখছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছবেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে। তার এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলে প্রত্যাশা করছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে লাখ লাখ মানুষের সমাগম ঘটিয়ে রাজধানীর কুড়িলের ৩০০ ফিট এলাকায় তারেক রহমানকে গণসংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি শেষ করেছে বিএনপি। ইতোমধ্যে সারা দেশ থেকে ঢাকায় নেতাকর্মীরা এসে পৌঁছে গেছেন। বিএনপি নেতারা বলছেন, সংবর্ধনায় অন্তত ৫০ লাখ মানুষের উপস্থিতির প্রত্যাশা করছেন তারা।  বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শেখ মুজিবুর রহমান এবং গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত মৃত্যুদ-প্রাপ্ত স্বৈরাচার শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বিপুল জনসমাগমের নজির রয়েছে। বিএনপি নেতাদের দাবি, তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে যে উদ্দীপনা ও প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে, তাতে উপস্থিতির দিক দিয়ে অতীতের সব আয়োজনকে ছাড়িয়ে যাবে এই গণসংবর্ধনা।

ওইদিন ঢাকায় রেকর্ডৎসংখ্যক লোক সমাগম হবে। বিশেষ করে এই আয়োজনের পেছনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দলের শক্তি প্রদর্শনের লক্ষ্যও রয়েছে। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংবর্ধনায় অর্ধকোটি মানুষের উপস্থিতি করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের দেশে ফেরার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি গত ১৮ ডিসেম্বর ট্রাভেল পাসের জন্য আবেদন করেন এবং পরদিনই তা হাতে পান। বুধবার রাতে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজটি ২৫ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর আগে বিমানটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টা যাত্রাবিরতি করবে।

এ সময় তার সফরসঙ্গীদের মধ্যে থাকবেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা জারনাজ রহমান, মিডিয়া টিমের প্রধান আবু আবদুল্লাহ সালেহ, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আবদুর রহমান সানি ও তাবাসসুম ফারহানা। বিমানবন্দরে অবতরণের পর দলের সিনিয়র নেতারা তারেক রহমানকে স্বাগত জানাবেন। এরপর কঠোর নিরাপত্তায় বিমানবন্দর থেকে হাসপাতালে মায়ের কাছে যাবেন। সেখান থেকে কুড়িল বিশ্বরোড সংলগ্ন ৩০০ ফিট এলাকায় নির্মিত সংবর্ধনা মঞ্চে উঠবেন তিনি।

সেখানে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে প্রথম দেশের মাটিতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখবেন। তারপর গুলশানের বাসায় ফিরবেন। বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মাধ্যমে নিরাপত্তার জন্য আবেদন করা হয়েছে। পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।
ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থী, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থেকে কর্মসূচি সফল করবেন বলে জানান দলের হাইকমান্ডের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার সারাদেশের ১০টি লাইনে চলবে স্পেশাল ট্রেন। কক্সবাজার থেকে পঞ্চগড়, খুলনা থেকে রাজশাহীসহ দেশের প্রায় প্রতিটি প্রান্ত থেকে ঢাকায় এখন বিএনপির নেতাকর্মীরা। রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, স্পেশাল ট্রেন ও অতিরিক্ত কোচ সংযোজনের মাধ্যমে আনুমানিক ৩৬ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হবে। তবে নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংবর্ধনায় উপস্থিতির ইতিহাস সৃষ্টি হবে এমনটা দাবি করে বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সারাদেশের নেতাকর্মীসহ দেশবাসী তারেক রহমানকে বরণে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইতিহাস সৃষ্টি হবে বৃহস্পতিবার। জনসমুদ্রে পরিণত হবে ঢাকা। তিনি বলেন, দিনটি আমরা স্মরণীয় করে রাখতে চাই। আশা করি ঢাকায় অতীতের যে কোনো প্রত্যাবর্তনকে ছাপিয়ে যাবে।
বিশিষ্ট আইনজীবী ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ড. তুহিন মালিক বলেছেন, দীর্ঘ ১৮ বছর পর তিনি দেশের মাটিতে ফিরছেন। তার ঐতিহাসিক আগমনে বাংলাদেশের শূন্য হৃদয়ে পূর্ণতা ফিরে পাক। দেশমায়ের সন্তান তার মায়ের কোলে নিরাপদে ফিরে আসুক। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক শূন্যতায় স্থিতিশীলতা ফিরে পাক প্রিয় মাতৃভূমি।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রক্তের এবং আদর্শের এই উত্তরাধিকারী বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতিভূ হয়ে উঠুক। প্রত্যাবর্তন হোক গণতন্ত্রের। সাম্য, ন্যায়বিচার ও ইনসাফের। সম্প্রীতি ও ঐক্যের। গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য সুদীর্ঘ প্রতীক্ষিত মুহূর্ত। স্বাগতম জনাব তারেক রহমান। নিরাপদ হোক আপনার নতুন পথচলা।
তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, বহুল আকাক্সিক্ষত এই প্রত্যাবর্তনকে অনেকেই দেখছেন বিরাজমান অস্থির পরিস্থিতিতে জনগণের ঐক্য সৃষ্টি এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক দেশ প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে। সে কারণেই তারেক রহমানের ফেরা কেবল একটি ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তন নয়; বরং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জনগণের গভীর আকাক্সক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, বিএনপি তার ইতিহাসের একাধিক সংকট পার করেছে। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর যেমন দল বড় চ্যালেঞ্জে পড়ে, তেমনি ২০০৬ সালের পর বিরাজনীতিকরণের চেষ্টায় বিএনপি আবারও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়।

সে সময় বেগম খালেদা জিয়ার বন্দিত্ব, তারেক রহমানের গ্রেপ্তার, নির্যাতন এবং পরবর্তী সময়ে বিদেশে যেতে বাধ্য হওয়া সব মিলিয়ে দলের ওপর ভয়াবহ চাপ সৃষ্টি হয়। লাখ লাখ মামলা, হাজারো নেতাকর্মীর নির্যাতন ও হত্যার পরও বিএনপিকে ভাঙার সরকারি প্রচেষ্টা সফল না হওয়ার পেছনে এই দ্বিমুখী যোগাযোগ কৌশল বড় ভূমিকা রেখেছে। তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হতে না দেওয়াই বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে টিকিয়ে রেখেছে।

৩০০ ফিটে সাজসাজ রব, উৎসবে বিএনপি

রাজধানীর পূর্ব প্রান্তের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ের কুড়িল সংলগ্ন অংশে (৩০০ ফিট) এলাকায় সাজসাজ রব, উৎসবে বিএনপি। তৈরি হয়েছে বিশাল বিশাল সংবর্ধনা মঞ্চ। দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরছেন। উৎসবের আমেজ নিয়ে জড়ো হওয়া নেতাকর্মীরা বলছেন, দেশের রাজনীতিতে ২৫ ডিসেম্বর একটি ঐতিহাসিক তারিখ হয়ে থাকবে। এদিকে, শুধু ৩০০ ফিট নয়, তারেক রহমানের আগমন ঘিরে দলের পতাকা ও পোস্টার দিয়ে পুরো শহর যেন সাজানো হয়েছে। প্রধান সড়ক, অলি-গলি, মোড়ে মোড়ে ঝুলছে ব্যানার-বিলবোর্ড, যেখানে শোভা পাচ্ছে ‘লিডার আসছে’, ‘হে বিজয়ী বীর, তোমাকে স্বাগত’ ইত্যাদি স্লোগান।

সংবর্ধনায় তারেক রহমানই একমাত্র বক্তা

তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি নিজে ছাড়া অন্য কেউ বক্তব্য দেবেন না বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। বুধবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, তারেক রহমান এমন কোনো কর্মসূচিকে সমর্থন করেন না, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কারণ হতে পারে। সে কারণেই তিনি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের যেতে নিষেধ করেছেন।

বাংলাদেশেও তার নির্দেশনা বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে, যদিও শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি বলে স্বীকার করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে সরাসরি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মায়ের সঙ্গে দেখা করতে চান এবং পরে তার বাবা ও ভাইয়ের কবর জিয়ারত করার ইচ্ছা রয়েছে। এ লক্ষ্যেই তিনি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের জন্য এমন একটি তারিখ নির্ধারণ করেছেন, যা টানা তিনদিনের সরকারি ছুটির মধ্যে পড়েছে। তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুসরণ করেই রাজধানীর কেন্দ্রস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কিংবা মানিক মিয়া এভিনিউতে কোনো কর্মসূচি রাখা হয়নি বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমেদ।

দেশে ফিরে হাদির কবর জিয়ারতসহ তিনদিনের কর্মসূচি
দেশে ফেরার পর শনিবার ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপর ওইদিনই শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করে পঙ্গু হাসপাতালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দেখতে যাবেন তিনি। বুধবার তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তার গুরুতর অসুস্থ মা খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন।

যেতে চান তার পিতা জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করতে, যেতে চান তার ভাইয়ের কবরের পাশে। জনদুর্ভোগ পরিহার করতে সরকারি ছুটির দিনকে তার প্রত্যাবর্তনের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।’ সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘মঞ্চস্থলে ২০টি মেডিক্যাল ক্যাম্প থাকবে। সার্বক্ষণিক চিকিৎসক, ওষুধপত্র ও অ্যাম্বুলেন্সসহ ছয় শয্যার একটি ফিল্ড হাসপাতালও থাকবে।’ ‘আগামী ২৬ তারিখ জুমা শেষে তারেক রহমান প্রথমে শহীদ জিয়ার মাজারে যাবেন। সেখান থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন।’

গুলশান থেকে প্রস্তুত গাড়ি বহর
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে তাকে বরণ করে নিতে বিশেষ ধরনের গাড়ি বহরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একইসঙ্গে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বুধবার সকাল থেকেই কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশের সড়কে বিশেষ নিরাপত্তা যুক্ত একাধিক গাড়ি প্রস্তুত থাকতে দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, গুলশান কার্যালয়ের সামনের সড়কের এক পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে সাদা রঙের পিকআপ ও এসইউভি ধরনের একাধিক যানবাহন।

গাড়িগুলোর পেছনে বিশেষভাবে প্রস্তুত কাভারযুক্ত বক্স, ছাদে মাইক বা লাউডস্পিকার এবং নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংযুক্ত রয়েছে। গুলশানের দলীয় সূত্র বলছে, শোভাযাত্রা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে এসব গাড়ি ব্যবহার হবে। কার্যালয়ের চারপাশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বেষ্টনী, কাঁটাতারের বেড়া এবং প্রবেশপথে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সব কিছু সেরে গুলশান ১৯৬ বাসায় উঠবেন

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আগমনকে কেন্দ্র করে নতুন করে সংস্কার করা হয়েছে বিএনপির গুলশান ও নয়াপল্টন কার্যালয়। প্রস্তুত গুলশান-২ এর এভিনিউ রোডের ১৯৬ নম্বর বাড়ি। এই বাড়িতে উঠবেন তিনি। গুলশান কার্যালয় এবং তার থাকার বাড়ির চারপাশে কাঁটাতার দিয়ে করা হয়েছে নিরাপত্তা বেষ্টনী। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত লাগানো হচ্ছে প্রজেক্টর। যার মাধ্যমে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দৃশ্য লাইভ দেখানো হবে।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *