ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল। সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, বিপ্লবী গার্ডের চাপে ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট মোজতবাকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে মাশহাদে দাফন করার কথা জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম ফার্স।
তবে বুধবার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় স্মরণসভা স্থগিত করা হয়েছে। ইরানে গত শনিবার অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলায় একটি সাবমেরিনসহ ইরানের ১৭টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। অন্যদিকে তেহরানের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত একটি পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরাইলি বাহিনী। তাদের দাবি, এই স্থাপনায় ইরানের বিজ্ঞানীরা গোপনে পারমাণবিক অস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তৈরির চেষ্টা করছিলেন।
শনিবার থেকে এখন পর্যন্ত চালানো ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানে এক হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে আইআরজিসি দাবি করেছে, জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি এখন তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। খবর আলজাজিরা, সিএনএন ও তাসনিম নিউজের।
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফনের তারিখ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। মাশহাদ ইরানিদের কাছে একটি পবিত্র শহর। খামেনির জন্মও হয়েছিল এই শহরে। সেখানকার ইমাম রেজা মাজারে তার বাবাকেও দাফন করা হয়েছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল-মার্কিন যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ওই হামলায় খামেনির মেয়ে, নাতি ও জামাই নিহত হওয়ার খবরও দেয় ইরানের সংবাদ মাধ্যমগুলো। এদিকে ওই হামলায় আহত আলী খামেনির স্ত্রী খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহও দুদিন পর মারা গেছেন।
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলায় শহীদ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় স্মরণ অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়েছে। তিন দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান বুধবার রাতে শুরু হওয়ার কথা ছিল। এর আগে ইরানের রেভ্যুলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায়, দাফনের আগে রাজধানী তেহরানে খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে বড়সড় আয়োজন করা হবে। যা বুধবার রাত ১০টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে আয়োজকদের বরাত দিয়ে বুধবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রস্তুত না থাকায় অনুষ্ঠানটি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাবমেরিনের হামলায় ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবির ঘটনায় অন্তত ৮৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার ভারত মহাসাগরে ইরানি নৌবাহিনীর ওই জাহাজে মার্কিন হামলায় আরও অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। এদিকে ইরান থেকে তুরস্কের ভূখ- লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আঙ্কারা। তবে ওই ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে। তুরস্কের আকাশসীমা লক্ষ্য করে ইরান থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইরাক ও সিরিয়ার আকাশসীমায় ধ্বংস করেছে ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
এক বিবৃতিতে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ইরান থেকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। যা ইরাক ও সিরিয়ার আকাশসীমা অতিক্রম করে তুরস্কের দিকে আসছিল। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা ন্যাটোর আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সময়মতো সেটিকে শনাক্ত এবং আঘাত হেনে অকেজো করে দেয়। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আইডিএফের গোয়েন্দা সংস্থা বিজ্ঞানীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে নতুন অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছিল। যা এই ভূ-অধস্তন গোপন কম্পাউন্ডে নিখুঁত হামলা চালাতে সহায়ক হয়।
তারা একটি মানচিত্র প্রদর্শন করে স্থাপনাটির অবস্থানও দেখিয়েছে। এদিকে আরও একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। বুধবার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানি সেনাবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিট যুদ্ধবিমানটিকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে। এর আগে সোমবার ইরানের খাদেম আল আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার জানিয়েছিল, ইরানের স্থানীয়ভাবে তৈরি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে।
ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্লাস্টার বোমা বা গুচ্ছ বোমার সাব-মিউনিশন ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ইসরাইল। ইসরাইলি প্রতিরক্ষাবাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, মঙ্গলবার ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলীয় এক এলাকায় ওই বোমা ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ওই এলাকায় এক ডজনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তেলআবিবের জেলা কমান্ডার হাইম সারগারফ বলেছেন, দেশের মধ্যাঞ্চলের একাধিক স্থানে ক্লাস্টার বোমা হামলার খবর পাওয়া গেছে। হামলায় অনেকে আহত এবং কিছু ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।
এর আগে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছিল, ইসরাইলে ক্লাস্টার বোমা সমৃদ্ধ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতি রয়েছে ইরানের এবং তারা এখনো তাদের সবচেয়ে উন্নত অস্ত্রগুলো ব্যবহার করেনি বলে দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাই নিক বলেন, এই চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিরোধ গড়ার ও আক্রমণাত্মক প্রতিরক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা আমাদের আছে।
রেজা তালাই নিক আরও বলেন, যুদ্ধের প্রথম দিনগুলোতেই আমরা আমাদের সমস্ত উন্নত অস্ত্র ও সরঞ্জাম ব্যবহার করি না। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলা শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্য ছেড়েছেন প্রায় ৯ হাজার মার্কিন নাগরিক। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেটের পাশে ড্রোন হামলার প্রসঙ্গ টেনে রুবিও জানান, সেখানে অবস্থানরত সমস্ত মার্কিন কর্মীর খোঁজ পাওয়া গেছে এবং সবাই নিরাপদে আছেন। আইআরজিসির নৌ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আকবরজাদেহ বলেন, এই মুহূর্তে হরমুজ প্রণালি ইসলামি প্রজাতন্ত্র নৌবাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বর্তমানে এই জলপথ দিয়ে যাতায়াতকারী যে কোনো জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বা ড্রোন হামলার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা তুঙ্গে। এর ঠিক একদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোকে সুরক্ষা দিতে মার্কিন নৌবাহিনী সেগুলোকে পাহারা (এসকর্ট) দিয়ে নিয়ে যেতে প্রস্তুত।
রাশিয়া ও চীন ইরানের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি হামলার সমালোচনা করেছে, মস্কো বলেছে তারা এমন কোনো প্রমাণ পায়নি যে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে এবং বেজিং যৌথ আক্রমণ অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়- চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই তার ইসরাইলি প্রতিপক্ষ গিদিওন সারকে বলেছেন, ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে আলোচনা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জনের পর ইরানের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। আলোচনার মধ্যে ইসরাইলের নিরাপত্তা উদ্বেগ মোকাবিলার বিষয়টিও ছিল। দুঃখজনকভাবে সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে। চীন ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো সামরিক হামলার বিরোধিতা করে।
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে নির্বাচিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ইরানি টিভি নেটওয়ার্কের বরাত দিয়ে ডেইলি মেইল এই খবর জানিয়েছে। তেহরানে নিজ কার্যালয়ে মার্কিন ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত হওয়ার পর এই পদক্ষেপ এসেছে। ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনির দ্বিতীয় বড় ছেলে এবং ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ইরান ইন্টারন্যাশনালের খবরে বলা হয়, ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ বিপ্লবী গার্ডের চাপে তাকে নির্বাচিত করেছে। যদিও অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বাস করতেন যে, খামেনির স্থলাভিষিক্ত হওয়ার জন্য মোজতবা একজন অগ্রণী প্রার্থী হবেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতামত ভিন্ন ছিল। জানা গেছে, খামেনি নিজে গত বছর সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করেননি।
ইরানের শিয়া মুসলিম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পিতা-পুত্রের উত্তরসূরিকে ইতিবাচকভাবে দেখা হয় না। তবে মোজতবা ইরানের একটি উত্তেজনাপূর্ণ সময়ে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে। মোজতবা জাহরা হাদ্দাদ আদেলের সঙ্গে বিবাহিত। তিনি ইরানের রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ এবং সংসদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম আলী হাদ্দাদ আদেলের কন্যা। জানা গেছে, ২০০৪ সালে তাদের দুজনের বিয়ে হয়। ২০২৬ সালে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালায়, তখন জাহরা নিহত হন বলে জানা গেছে।
তাদের তিনটি সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে, যদিও সন্তানদের সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০১৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মোজতবাকে নিষেধাজ্ঞা দেয়। তবে ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে, তিনি এখনও একটি বিশ্বব্যাপী সম্পত্তি সাম্রাজ্য গড়ে তুলতে এবং পশ্চিমা বাজারে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের তহবিল প্রেরণ করতে সক্ষম হয়েছেন। মোজতবার প্রকৃত সম্পদের পরিমাণ জানা যায়নি, তবে হিসাব অনুযায়ী তিনি একজন কোটিপতি হবেন।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ৯০ শতাংশ কমেছে
ইরানের সঙ্গে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতে বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আশঙ্কাজনক হারে কমছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ অতিক্রম করার সময় ইরানের হামলার মুখে পড়ার আশঙ্কায় অধিকাংশ তেল ও গ্যাস ট্যাঙ্কার এখন হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে চলছে। খবর আলজাজিরার।
জ্বালানি বিষয়ক গোয়েন্দা সংস্থা ভরটেক্সা ও কেপলারের পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে বুধবার এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ভরটেক্সার কর্মকর্তা ক্লেয়ার জংম্যান বলেছেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ২৪টি ট্যাঙ্কার এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করত। তবে মেরিটাইম ইন্টেলিজেন্স ফার্ম কেপলার বিবিসি ভেরিফাইকে বলেছে, গত ২১ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারির গড়ের তুলনায় ২ ও ৩ মার্চ এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় ৯০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
বড় বড় সামুদ্রিক বিমা কোম্পানিগুলো পারস্য উপসাগরে চলাচলকারী জাহাজের জন্য যুদ্ধকালীন ঝুঁকি বিমা সুবিধা প্রত্যাহার বা বাতিল করায় ওই পথ দিয়ে যাতায়াত এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বের অপরিশোধিত তেল সরবরাহের পাঁচ ভাগের এক ভাগ যে জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, সেই নৌপথটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা।


