আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন ভোটার কীভাবে ধাপে ধাপে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, সেই বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ভোটদান প্রক্রিয়াকে সহজ ও স্বচ্ছ করতে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এই পদক্ষেপগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
ভোটদানের প্রধান ধাপসমূহ:
১. ভোটার স্লিপ সংগ্রহ: ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের আগে ভোটারদের কেন্দ্রের বাইরের বুথ থেকে তাদের ভোটার তথ্য সংবলিত স্লিপ সংগ্রহ করতে হবে এবং নির্ধারিত লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে ।
২. তথ্য যাচাই: ভোট কক্ষে প্রবেশের পর প্রথম পোলিং অফিসার ভোটারের নাম, বাবার নাম ও মায়ের নাম যাচাই করবেন। এরপর পোলিং এজেন্টরা তাদের তালিকায় ভোটারকে চিহ্নিত করবেন ।
৩. অমোচনীয় কালির ব্যবহার: জালিয়াতি বা একাধিকবার ভোট প্রদান রোধ করতে দ্বিতীয় পোলিং অফিসার ভোটারের আঙুলে অমোচনীয় কালি লাগিয়ে দেবেন ।
৪. ব্যালট পেপার ইস্যু: সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ব্যালটের মুড়িপত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে এবং তাতে অফিশিয়াল সিল ও স্বাক্ষর দিয়ে ব্যালট পেপার ইস্যু করবেন। ভোটারকে দেওয়ার আগে ব্যালটটি লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করে দেওয়া হবে।
৫. দুটি ব্যালট: মনে রাখতে হবে, এবারের নির্বাচনে একজন ভোটারকে দুটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে—একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এবং অন্যটি গণভোটের জন্য। ভোটারকে উভয় ব্যালটেই ভোট দিতে হবে।
৬. ভোট প্রদান ও ব্যালট বক্সে জমা: ভোটার গোপন বুথে গিয়ে তার পছন্দের প্রতীকে সিল দেবেন। এরপর নিয়ম অনুযায়ী ব্যালটটি ভাঁজ করে বুথ থেকে বের হয়ে মার্কিং সিলটি সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারকে ফেরত দেবেন। সবশেষে ব্যালট বাক্সে দুটি ব্যালট পেপারই জমা দেবেন।
নির্বাচন কমিশন নাগরিকদের মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, আপনার একটি ভোটই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। তাই নির্ধারিত দিনে কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন।

